গল্প : সেই মেয়েটা যে ছিলো অামার স্বপ্নে
.
.
.
-এই উঠ, কয়টা বাজে দেখেছিস? (ভাবি)
-উফ ভাবি দিলা তো সকাল সকাল অামার ঘুমের বারটা বাঁজিয়ে। (অামি)
-কয়টা বাঁজে দেখেছিস,নয়টা বাঁজে ? অাবার কয় সকাল সকাল।
-ভাবি ইউরোপ কান্ট্রিতে এই নয়টা তাদের ভুর বুঝলা। উফ কি সুন্দর স্বপ্ন দেখছিলাম। অামার স্বপ্নের নায়কার সাথে, উফ কি রোমান্স। তুমি দিলা অামার রোমান্টিক মুহূর্তে পানি ঢেলে।তোমার মতো ভাবি যাদের ঘরে অাছে তাদের সকালটা কখনোই ভালো হবেনো।
-বাহ উপকার করলেও দুষ। কত বড় একটা উপকার করে দিলাম,কিন্তু অামি দুষি হয়ে গেলাম।
-উপকার কচু করেছো। অামি অামার স্বপ্নের নায়কাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছিলাম, অার তুমি দিলে পানি ঢেলে।
-বেশ করেছি,অাপনি স্বপ্ন দেখেন অার ঐ দিকে অাপনার স্বপ্নের নায়কাকে নিয়ে অন্যজন দূরে কোথাও পাড়ি জমাচ্ছে।
-ভাবি বদ দোয়া দিবেনা তো, তাহলে কিন্তু তোমার সাথে কথাই বলবো না।
-অামার সাথে কথা বলার দরকার নেই। অাগে অাপনি অাপনার স্বপ্নের নায়কা ইপ্তির রাগ ভাঙান গিয়ে।
-ভাবি ইপ্তির রাগ মানে?
-মানে হল স্যার, গতরাতে কি বলেছেন অাজকে যে অাপনার একটা ইমপোরটেন্ট দিন। যার কারণে গত কয়েকদিন ধরে বলে অাসছেন অামাকে। যার কারণে অাপনার ভাইকে বলে অাপনাকে অাজ অফিস থেকে ছুটি কাটিয়ে দিলাম।নেন ফোনটা হাতে নিয়ে দেখেন কয়টা কল অাসছে, ইপ্তির ফোন থেকে।
.
-ভাবি তুমি দিলে তো অামার বারটা বাঁজিয়ে,অারও অাগে ডাক দিলে না কেনো।
-হাহাহা
-ভাবি একদম হাসবেনা, ৩০টা কল দিয়েছে ইপ্তি, কে জানে কপালে কি অাছে।
-যা,তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়েনে নাস্তা দিচ্ছি অামি।
-ওকে।
.
অামি রাহাদ লেখা-পড়া শেষ করে ভাইয়ের সাথে নিজেদের ব্যবসায়ে যোগদান করেছি। যার সাথে কথা বলছিলাম উনি অামার সুইট কিউট একমাত্র ভাবি ইশানা। ভাইয়ারা প্রেম করে,পালিয়ে বিয়ে করেছে।অামাদের বাসায় কেউ মানতে রাজি ছিলোনা। পরে অামি মা বাবাকে বুঝিয়ে তাদেরকে মানতে বাধ্য করি।অাসলে ভাইয়া ভাবির বিয়েতে অামিই ঘটক ছিলাম।মানে প্রেম থেকে শুরু করে সব জায়গাতেই অামি। তাই ভাবি অামাকে খুব ভালবাসে। শুধু ভাবি না,বাসার সবার কাছেই প্রিয় পাত্র অামি।
.
অার ইপ্তি হচ্ছে অামার বান্ধুবি। না বান্ধুবিনা, তার বড় কিছু। কবে যে তাকে ভালবেসে ফেলেছি, তা অামি নিজেই জানিনা। অাজকের দিনটা অামার জন্য স্পেশাল। কেননা অাজকের এই দিনে ইপ্তির সাথে কলেজ লাইফে ফাস্ট পরিচয় হয়েছিল। সেই থেকে অামরা প্রায় অাট বছর পার করে দিয়েছি। খুনসুটি অভিমান অার বন্ধুত্বের দাবি পূরণেই কেটেছে অাট বছর।অামি সবসময় নীরব থাকি, খুব একটা কথা বলিনা। তবে ইপ্তির সামনে কখনোই নীরব থাকতে পারিনা, তাকে রাগাতে খুব ভালো লাগে।তার রাগ মুখটা দেখলে অনেক ভালো লাগে। কবে যে তাকে ভালবেসেছে, সেটা অামার অজানা। তবে কোনদিন জানাতে পারিনি। তাই অাজকে জানাবো বলে ঠিক করেছি। রাতে বাসায় অাসার সময় স্টিক নিয়ে এসেছি, খালি হাতে তো অার প্রপোজ করা যাবেনা।
.
-কিরে এতো ফোন দিয়েছি,একটা বারও রিসিভ করিসনি কেনো। কিরে কথা বলছিস না কেনো হারামি। ঐ কি দেখছিস হারামি ওমর করে। ঐ (মাথায় থাপড়া দিয়ে) (ইপ্তি)
-উহ মাথায় মারলি কেন? জানস না মাথায় প্রবলেম। (অামি)
-তোর প্রবলেমের ক্ষেতা পুড়ি হারামী। এখন বাজে সাড়ে দশটা, সেই সকাল থেকে ফোন দিচ্ছি ধরিসনি। অাবার এখানে এসে হা করে তাকিয়ে রয়েছিস।
-ঘুমে ছিলামরে। অার তোকে দেখছিলাম, কেমনে সাজলি তোরে একদম ভালো দেখা যাচ্ছেনা। (রাগাতে বললাম, খুব সুন্দর লাগছে ইপ্তিকে, অাজকে যেনো এক অপ্সরী দাঁড়িয়ে অাছে অামার সামনে। চোখের পলক যেনো পড়তেই চাইনি।একটা গোলাপি কালারের শাড়ি,হাত ভর্তি গোলাপি চুড়ি, ঠোটে হালকা গোলাপি লিপস্টিক উফ চোখের পলক পড়তেছেনা।)
-হারামি কুত্তা মুড অফ করবিনা, অাজকে একটা স্পেশাল দিন ফর মি।তাই তোকে সকাল হতে ফোন দিচ্ছিলাম। কিন্তু তুই হারামি ঘুমে। যাও এখন অাসলি অামার মুড খারাপ করছিস।
-সরি অার মুড করবোনা, একটা হাসি দে।
-হাহাহা
-কাকে কা-কা-কা করলে যেমন শুনাই,তোর হাসিও তেমন।
-হারামী কুত্তা দেখিস তোর বউয়ের হাসি তার চেয়েও খারাপ হবে। ধ্যাত মুড অফ করে দিলি। (ঐ দিকে রাস্তার দিকে তাঁকিয়ে কি যেন খুঁজতে খুঁজতে বললো)
-ওকে অার করবোনা। ঐ দিকে খুঁজিস।
-কিছুনা। তোকে অাজ একটা কথা জানাবো অার--
-অামিও তোকে অাজ একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা জানাবো।
.
--তাই নাকি? অাচ্ছা বল তোর গুরুত্বপূর্ণ কথা কি! (ইপ্তি)
-না অাগে তোরটা শুনি,তুই বল (অামি)
-অারে তুই বল, সবসময় তো অামিই বলি।
-অকে বলছি ওয়েট
-হুম বল
-বলছি তো
-কিরে ঘামছিস কেনো এতো, বল
-কই ঘামছি, বলছি শোন। অামি তোকে
-এই রাহাদ একটু দাঁড়া ফাহাদ চলে এসেছে, ফাহাদকে নিয়েই শুনি।
-ফাহাদ কে?
-অামি যাকে ভালবাসি, তোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো।প্রথমে ভালো লাগা থেকে ভালবাসা। তারপর ফাহাদ অামার বাসায় প্রস্তাব পাঠাই,অার বাসার সবাই রাজি হয়ে যাই।
.
-ইপ্তির মুখে কথা গুলো শুনার পর পৃথিবীটা অামার কাছে ঘুরছে। সমুদ্রের পানি যেনো ধুমরে মুছে দিচ্ছে সব,মনের ভেতর যেন এক বিশাল ঝড় ভয়ে যাচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যে মনে হচ্ছে পৃথিবীতে অামি খুব একা।কথা বের হচ্ছেনা মুখ দিয়ে। গলা যেন ভসে গেছে, হৃদপিন্ড স্তব্ধ হয়ে গেছে।মনে হচ্ছে বাক শক্তি হারিয়ে ফেলেছি অামি।চোখের পানি যেন অার বাঁধ মানতে চাইছেনা,যদি বৃষ্টি হতো তবে ভালো হতো।
-কিরে রাহাদ কি ভাবছিস, এ হলো ফাহাদ।এর সাথেই তোকে অাজ পরিচয় করিয়ে দিতে এনেছি। ফাহাদ এ হলো অামার সবচেয়ে কাছের বেস্ট ফ্রেন্ড রাহাদ।
.
-নাইছটিমিট ইউ অামি রাহাদ।
-নাইছটিমিট ইউ অামি ফাহাদ,ইপ্তি অাপনার কথা খুব বলেছে।
-কি বলেছে, অামি খুব দুষ্টু, খুব বেশি কথা বলি। সবসময় তাকে রাগাই, অামি ভালোনা এসব।
-অারে না।ও তো অাপনার নামে প্রশংসা করেছি। বলেছে অাপনার মতো বন্ধু পাওয়া ভাগ্যের বেপার।
-না ও অাপনার কাছে মিথ্যে বলেছে, অামি মোটেও তেমন না।অাচ্ছা অাপনারা সময় কাটান অামি অাসছি।
-অাসছি মানে, কই যাস তুই? অার তোর কি ইমপোরটেন্ট কথা বললি না কেনো? (ইপ্তি)
-ও কিছুনা, অামার প্রমোশন হয়েছে, ভাইয়া বলেছে, বিদেশে ব্যবসার দায়ত্ব অামাকে দিবে।
-ও গ্রেট নিউজ।
-অকে থাক অামি গেলাম।ভালো থাকিস অভিনন্দন তোদের। সুখে থাকিস।
.
.
কেমন করে এখন বাসায় যাবো জানিনা, পুরো পৃথিবীটা অামার কাছে ঘুরছে। চোখের পানিটাকে অাঠকাতে পারছিনা। এতো দিনের জমিয়ে রাখা ভালবাসা এক নিমিষেই শেষ হয়েগিয়েছে। খুব বেশি কষ্ট হচ্ছে। ভালবাসা এমন কেনো। শুধুই কি কষ্ট দেয়। জমিয়ে রাখা ভালবাসা প্রকাশ করতে পারলাম না।অাসলে বন্ধুত্বের মাঝে ভালবাসা হয় না,সেটা শুনেছি। কিন্তু অাজ তার সম্মুখীন হলাম। ফুল ফুটার অাগে যদি কলিটা ঝড়ে যাই,তার চেয়ে কষ্ট কি অাছে।
.
ইপ্তির জন্য অানান ফুলটা ডাস্টবিনে ফেলে দিলাম। কেননা অামার জীবনটা এক মুহূর্তের জন্য ডাস্টবিনের থেকেও নিকৃষ্ট মনে হচ্ছে, তাই তাকে অামার চেয়েও ভালো জায়গাতে ফেলেছি, যেন নষ্ট হয়ে মরে যাই অামার ভালবাসা।একটা সিগারেট নেওয়া যাই,নিকোটিনের ধোয়ার সাথে কষ্টটাও হয়তো উড়ে যাবে।ভুলে যাব তাকে। অাসলেই কি তাকে ভুলতে পারবো, যে ছিলো অামার স্বপ্নের মধ্যে সেই মেয়েটি।
.
ভালবাসা অাসলেই কষ্ট, বিশেষ করে ওক তরফা ভালবাসাগুলো
মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৬
সেই মেয়েটা যে ছিলো অামার স্বপ্নে
কিয়াম (ইসলাম)
কিয়াম (ইসলাম)
কিয়াম শব্দের অর্থ “দাঁড়ানো। মিলাদ মাহফিলে রাসুলে পাক (স) এর সম্মানার্থে দাঁড়িয়ে সালাম পৌছানোর প্রক্রিয়াকে আমরা “কিয়াম” বলে থাকি।।
দুনিয়াদার আলেমরা এই মহাফজিলতপূর্ণ আমলটিকে “বেদাত” বলে ঘোষণা করে থাকে।। এই লেখাটি পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন ওরা কত বড় মিথ্যুক ও রাসুলবিদ্বেষী।
১। “আবু দাউদ “কিতাবে হজরত ইবনে ওমর (রাঃ )হইতে বর্ণিত আছে,, হুজুর পাক যখন হুজরা শরীফ থেকে বাহির হতেন, তখন আমরা সকলেই তাহার সম্মানার্থে দাঁড়াইতাম।।
২। হজরত ইমাম বোখারী তাঁর লিখিত ইতিহাসে হজরত উম্মে সালমা (রাঃ) হতে রেওয়ায়েত করেছেন,, “হুজুর পাক যখন দাঁড়াইতেন, তখন আমরা সকলেই দাঁড়াইতাম।।
৩। হজরত ইমাম মালিক “মওতা”নামক কিতাবে লিখেছেনঃ “মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলে পাক (সা) নিজেই আকরামা বিন আবি জেহালের জন্য কিয়াম করেছিলেন, কেননা তিনি মক্কার একজন বিশিষ্ট নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ছিলেন।।
৪। তিরমিযী শরীফে হজরত আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে,, রাসুলে পাক (সা) জায়েদ বিন হারিসের জন্য কিয়াম করেছিলেন।।
৫। আল্লামা আইনী “উমদাতুল কারী কিতাবুল জিহাদ” এর মধ্যে লিখেছেনঃ “হজরত আদ্দি হাতিম বলেছেন,, “আমি যখনই হুজুর পাকের দরবারে যাইতাম, তখনই তিনি আমার জন্য কিয়াম করিতেন”।
৬। বুখারী ও মুসলিম শরীফে হজরত আবু সাঈদ হতে বর্ণিত আছে,, হুজুর পাক (সা) সাআদকে দেখে বললেন, “কুম ইয়া সাইয়িদাকুম “।অর্থাৎ, তোমরা নিজেদের কওমের সরদারের জন্য কিয়াম কর।।
৭। তিরমিজি ও ইবনে হাব্বানের মধ্যে হজরত আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে,, হজরত ফাতিমা (রা) যখনই হুজুর পাকের নিকট আসতেন, হুজুর পাক তখনই তাঁর সম্মানার্থে কিয়াম করতেন।।।
সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৬
তোমায় বুঝি আর পাওয়া হলো না
লেখক: আতিকুর জামান
তোমায় বুঝি আর পাওয়া হলো না!!!!
কেনই বা পাবো তোমায়? কোনো প্রশ্নই ওঠেনা,
এমন এক পর্যায়ে এসে গেছি আমি।
তুমি কি সেই গোধুলী সাজ্ব সন্ধার কথা ভুলে গেলে?
আমার কেনো আজ এমন মনে হচ্ছে?
মনে হয় তুমি আর নেই। বাগান শুন্য মনে হয় কেনো?
নাকি গোধুলী বেলার রঙিন সন্ধ্যার স্মৃতি গুলোর সমাপ্তির সময় এসে গেছে?
এটা কি বিধাতার লিখন?
না হয় মানলাম এটা বিধাতার লিখন।
কিন্তু তোমার এই পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?সেদিনের আম গাছ,সন্ধার স্নিগ্ধ আধার,বাশ ঝারের ঝি ঝি পোকারা আজ আমায় খুব কষ্ট দিচ্ছে!
জানতাম তুমি পাহাড়ের চুড়া থেকে ঝরনা ধারার বারি এনে দিতে পারবানা,তবুও সেদিন বলছিলে যে তুমি পারবে।আমি সহাস্যমুখে তা বিশ্বাস করছিলাম, কেনো জানো? জানোনা!
সত্যি আজ মনে হচ্ছে তোমায় বুঝি আর পাওয়া হলো না।
বুকের ভিতর কতটা কনিকা আছে আজ তা অবিচল ভাবে বুঝা যাচ্ছে।
হৃদয়স্পন্দিত হচ্ছে আজ উলটো পাশে,
ইচ্ছে করে সেখানে যেতে,
যেখানে শুধু আমি আমাকেই চিনি অন্য কাউকে নয়।
তোমার অভ্যাগম লিলাভুমিতে আজ আমার চিহ্ন মাত্র খুজে পাওয়া দুষ্কর।
কিন্তু আমার ছোট্ট কোঠরে থাকবে অনাবদ্ধভাবে চিরকাল।
ভালো থেকো যেখানেই থাকো।
রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৬
অল্প সময়
আতিকুর জামান
ভাবনা আর বাস্তবতা কখনো এক হয়না তা আমার জানা ছিলো কিন্তু এটা জানতাম না, ভাবনার মাঝে এত বেশী গরমিল হবে।
ছোট ছোট স্বপ্নগুলোও যখন বাস্তবতার কাছে মরিচিকার মত দিক হাতরিয়ে এক সময় হারিয়ে যায়, তখন সত্যি নিজেকে খুব অসহায় লাগে, অসহায়ত্ব এর করাঘাতে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হয় কোন নির্জন রাস্তার দিক ধরে গহীন জংগলে।
গত রাতেও একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম কিন্তু সপ্ন টা ভোরের সুর্যকিরনের সাথেই হারিয়ে গেলো, বেশী বড় না ছোট একটি স্বপ্ন আমার, একজন বন্ধু থাকুক, কিংবা একজন শত্রু থাকুক, বন্ধু হলে সে আমার খোজ নিক, আমার মন খারাপের রাতে, আমার সংগী হয়ে আমাকে আনন্দিত করে থাকুক, কিংবা একটি জলন্ত সিগারেট ধরিয়ে দিয়ে বলুক্য নে সালা, সব ভুলে যা, আর হারিয়ে যা, কোন নতুন ভুবনে। আর যদি শত্রু হয়, আমার ক্ষতি করার জন্য উপচে পড়ে থাকুক, আমার মন খারাপের রাতে এক ছিপ মদের সাথে এক ফোটা বিষ মিশিয়ে আমাকে পাঠিয়ে দিক, পরকালে।
এই স্বপ্ন টাও পুরন হতে নারাজ, কারন সমাজের অবহেলিত মানুষের সাথে না কেউ বন্ধুত্ব করে, নাইবা কোন শত্রু থাকে, বিধি আমার উপর বড্ড বেশী নারাজ, তাই তার অভিশাপ থেকে আজো মুক্তি পেলাম না। শেষ স্বপ্ন একটাই অভিশাপ থেকে মুক্তি পাইবা না পাই, আমি আমার জীবনে একটি অভিশপ্ত মানুষ চাই অন্তত যার কাছে আমি আমার কথা বলবো, আর তার কথা শুনবো, এখন যদি আমি হইও পাগল কোন ক্ষতি নেই তাতে, একজন অভিশপ্ত মানুষ ই বুঝতে পারবে আমার মত অভিশপ্ত মানুষের রাতের আত্মচিৎকার।
তখন মনে হবে আমি চির ম্লান সুখি।
হে খনিকের বন্ধু তুমি হারিয়ে যেওনা আমার এ কুল ছেড়ে অন্য কুলে,
তুমি থেকো মোর জীবনের প্রতিটি দু:খ সুখের মুলে!
শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৬
স্মৃতি পাতা
আতিকুর জামান
হারানো কিছু সৃতি নিয়ে,চলার শেষ শক্তি টুকু নিয়ে,কিছু লিক্তে বসছি
অপেক্ষার প্রহর আজ থেকে শুরু হল। দিন গুনছি কবে শেষ হবে এই নিথর সময়। অসাড় হয়ে পরেছি, চলার শেষ শক্তি টুকু হারিয়ে ফেলেছি। জানিনা এই পথে কত বাঁধা, কতটুকু অমসৃণ এই পথ। পাড়ি দিতে হবে এই পথ, তাই ক্ষীণ আশা নিয়ে, বিন্দু পরিমাণ সাহস নিয়ে, এক মুঠো ভালোবাসা নিয়ে, হাজারও কষ্ট নিয়ে চলেছি আমি।
চোখের জল শুকিয়ে গেছে কাঁদতে পারি না আর আমি। বুকের পাঁজর গুলো সঙ্কুচিত হয়ে আসছে ক্রমেই মনে হয়ে ভেঙ্গে যাবে এখনি। এক প্রকার চাঁপা কষ্ট চেপে ধরে রেখেছে আমাকে। বড় শুন্য মনে হয় নিজেকে, তাই আঁকড়ে আছি এই শুন্যকেই।
অনেকটা ভালোবাসি তোমায়। হয়তো তোমার থেকে একটু বেশি অথবা একটু কম তবে আমার লাইফের চেয়ে অনেকটা বেশি। হঠাৎ বিনা মেঘে বজ্র পাতের মত আমার আকাশে বজ্র পাত হল। ঝর শুরু হল রূপকথার দানবের মত। তোমার প্রস্থান যেন ঠিক এ রকমই ……..
“যে চলে যেতে চায় তাকে যেতে দাও,
সে যদি কখনো ফিরে আসে বুঝবে সে তোমার
আর যদি সে কখনো ফিরে না আসে বুঝবে সে কখনই তোমার ছিলোনা”
হয়তো এই লাইন গুলো ভেবেই তোমার অপেক্ষায় থাকবো আমি…
বন্ধু
বন্ধু
আতিকুর জামান
ফান আর ফান
আতিকুর জামান
‘সরি. . .। আমি আপনার সাথে এতোদিন ফান করেছি।’
‘ফান করেছো . . .!’
‘হ্যাঁ।’
‘তুমি ফান করতে পারো; আমি করিনি। আমি সত্যি সত্যিই তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। তাই তোমার ফানের জন্য আমি কষ্ট পেতে চাই না। কষ্ট পেতে পারি না।’
‘সরি, সরি, সরি. . .। আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। রাখি রাখি . . ., আম্মু আসছে।’
ফোন কেটে দিয়ে রাজ্য জয়ের সুখে বিছানায় গড়াগড়ি খেতে লাগল সাথী। আর সায়েম কষ্টের তীব্রতায় কাতরাতে থাকে বিছানায় মুখ গুঁজে দিয়ে। তার একটাই ভাবনা, এতোটুকুন একটা মেয়ে তার সাথে এভাবে ফান করতে পারল; সে একবারের জন্যও বুঝতে পারল না!
নানা ভাবনায় বেশ কিছুটা সময় কেটে গেল। কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিতে আবার ফোন দেয় সাথী। চোখ মুছে ফোনটা রিসিভ করে সায়েম।
‘কেমন আছেন?’
‘ভালো থাকি কি করে? এভাবে ফাঁকি দিতে পারলে? কি দোষ ছিল আমার?’
‘আপনি এতোটা সিরিয়াস হবেন, আমি তা ভাবতেই পারিনি। ভালো থাইকেন।’
সায়েমকে কথা বলার বিন্দুমাত্র সুযোগ না দিয়ে লাইন কেটে দিয়ে মুর্হূতমাত্র কালক্ষেপণ না করে মোবাইল ফোনটা বন্ধ করে দেয় সাথী। সায়েম বেশ কবার চেষ্টা করে; কিন্তু কোনবারই খোলা পায় না।
পরের দিন খুব সকালে গ্রামের উদ্দেশ্যে পা বাড়ায় সায়েম। সোজা হাজির হয় সাথীদের বাড়িতে। সাথী বাবার সাথে পরিচিত হয় সায়েম। পরিচয় পর্ব শেষ করে সাথীকাণ্ড সবিস্তারে বর্ণনা করে সে। সাথীর বাবা কিছুতেই ব্যাপারটা বিশ্বাস করতে চায় না। সাথীকে ডাকা হয়। সাথী এসে একেবারে হতভম্ব হয়ে যায়। কিছুক্ষণ বাবা আর সায়েমের সামনে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে থেকে বলল, ‘আব্বা, কেনো ডেকেছেন?’
‘এই ছেলেটা...?’
সাথী এবার সায়েমের দিকে মুখ তুলে বলল, ‘কে আপনি?’
‘মানে! তুমি আমাকে চেনো না!’
‘না, চিনি না।’ বলে সাথী দ্রুত ভিতরের রুমে চলে যায়। সায়েম এবার লজ্জায় কাঁপতে থাকে।
‘এবার হলো-তো। তাড়াতাড়ি ভাগো। নাইলে লোক ডাকবো কিন্তু...।’
হঠাৎ করে সায়েমের মাথায় একটা অভিনব ভাবোদয় হল। সে মোবাইলে রেকর্ডিং চালু করে সাথীর মোবাইল ফোন নাম্বারটা বলে, বলল, ‘এটা আপনার মেয়ের নাম্বার না?’
‘হ্যাঁ। তাতে কি হয়েছে? তুমি ভালোয় ভালোয় চলে যাও। না হলে...।’
‘না হলে অনেক কিছুই করতে পারবেন মানছি। তার আগে নিজের কথা একবার ভাবেন। কি বোকা আপনি! আপনার ধারণা সাথী এমন কাজ করতেই পারে না! মানছি, ওতোটুকুন মেয়ে এমন কাজ করতেই পারে না। তাই বলে আপনি একবারও নিজের মেয়েকে কিছু জিজ্ঞাসা পর্যন্ত তো করলেন না? এই দেখুন আপনার মেয়ের পাঠানো মেসেজগুলো।’
সাথীর বাবা হাত বাড়িয়ে মোবাইলটা নিয়ে একে একে সবগুলো মেসেজ পড়ে রাগে-ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে। মনে হয় মেয়েকে নিজ হাতে খুন করে অপমান যন্ত্রণা কষ্ট এ যাত্রায় সব শেষ করে দিবে সে। কিভাবে তার মেয়ে হয়ে কোনো ছেলেকে এতো বাজে মেসেজ লিখতে পারে!
‘এবার বিশ্বাস করেছেন তো আপনার মেয়ে কতোটা বড় হয়েছে। কেমন মেয়ে জন্ম দিয়েছেন আপনি? এমন মেয়ে নিয়ে গর্ব করার আগে শতবার ভাবা উচিত। আসি।’
সায়েমের কথা শুনে সাথীর বাবা মাটিতে উদাস মনে ধপাস করে বসে পড়ে। সাথী আড়াল থেকে সব শুনে আবেগে বিবেক বিসর্জন দিয়ে আতœ-সমস্যার আপত সমাধান করে ফেলে।
রবি সার্কেল ফান
.
১.কবিতা দিয়ে শুরু করছি
.. কোথায় কষ্ট , কিসের দুঃখ ?
কে বলে তা বহুদুর ?
এই দেশেতেই দুঃখ -কষ্ট
লোডশেডিং সবার মূল .....
.
২. নিউজ
.. আজ সকালে একটা মোবাইল উলটে গিয়ে সব SMS পরে গেছে , আহত ১৫০ , নিহত ৪২
খবরঃ দৈনিক ইন্তেকাল ....
৩. একটা অনুরুধঃ
THINK "ALLAH"
TALK "HADIS"
AVOID "SOITAN"
WORK "DAWAT"
LOVE "MOHAMMOD (S)"
FEEL "EMAN"
READ "KORAN"
KEEP "NAMAJ"
GIVE "JAKAT"
GO TO "JANNAT"
4.একটি উক্তি
....... চিনি যতনে থাকলে যেমন পিপড়া আসা কঠিন
ঠীক তেমনি
নারী পর্দাই থাকলে ইভটিসিং করা তার চেয়েও কঠিন .....
৫. একটা তথ্যঃ
কোরআনের
রুকু = ৫৪০
আয়াত = ৬৬৬৬
হরফ = ৩২৩৭৬
জবর = ৫৩২৪৩
জের = ৩৯৫৮২
পেশ = ৮৮০৪
মদ = ১৭৭১
নুকতা = ১০৫৬৮১
৬. ভালবাসার জ্যামিতিক সংজ্ঞাঃ
... হৃদয় কে কেন্দ্র করে আবেগের সমান ব্যাসার্ধ নিয়ে যে বৃত্ত আঁকা হয় তাকে ভালবাসা বলে....
৭. একটা সত্য
... ভোলা যায় না সৃতি
বাধা যায়না সময়
জানা যায়না ভবিষ্যৎ
কেনা যায়না মন
পাওয়া যায়না অতীত
হারিয়ে যায় না বন্ধুত্ব .....
.
৮.
তুমি অসভ্য
ইতর
বদমাশ
হারামি
ফাজিল
ছোটলোক
৪২০
ফটকা
বেক্কল
চাঁদাবাজ
শয়তান হইতে সবসময় দূরে থাকবে........
৯.
দাদুঃ স্কুল থেকে স্যার আসছে , দাদু ভাই পালাও
দাদু ভাইঃ আরে তুমি পালাও , কারন আমি বলেছি কাল রাতে তুমি মারা গেছ.....
১০.
.... ছেলেঃ I LOVE YOU বল না আমাকে ,
মেয়েঃ ( হাল্কা রেগে ) স্যার কে বলে দিব
ছেলেঃ যাহ্ , স্যার এর বয়স হইছে না? স্যার তোমাকে বিয়ে করবে না , স্যার এর বউ তোমার থেকে সুন্দর.....